টিপস ও ট্রিকস
মাইক্রোসফট লঞ্চারের কিছু অ্যাডভান্সড ফিচার ও লুকানো অপশন আপনার ডিভাইসের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এখানে কিছু ব্যবহারিক পদ্ধতি দেওয়া হলো যা দৈনন্দিন কাজে সময় বাঁচাতে পারে।
হোমস্ক্রিন কাস্টমাইজেশন ও উইজেট অপ্টিমাইজেশন
মাইক্রোসফট লঞ্চারে আপনি হোমস্ক্রিনে শুধু অ্যাপ আইকন নয়, বরং প্রয়োজনীয় তথ্যও যোগ করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, ক্যালেন্ডার উইজেট ব্যবহার করে পরের মিটিংটি সরাসরি হোমস্ক্রিনে দেখুন, অথবা টু-ডু লিস্ট উইজেট যোগ করে দ্রুত কাজ যোগ বা সম্পূর্ণ করুন।
এছাড়া, ফোল্ডার তৈরি করে সম্পর্কিত অ্যাপগুলো এক জায়গায় রাখুন—যেমন ২৭;কাজ২৭; ফোল্ডারে Outlook, Teams, এবং OneNote রাখলে দ্রুত অ্যাক্সেস পাবেন। উইজেটের সাইজ ও অবস্থান পরিবর্তন করে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী হোমস্ক্রিন সাজান, যাতে বারবার অ্যাপ খুলতে না হয়।
ফিড সেটিংস নিয়ন্ত্রণ করে তথ্যের প্রবাহ পরিচালনা করুন
লঞ্চারের বাম দিকের ফিড সেকশনে নিউজ, ক্যালেন্ডার ইভেন্ট, নোটিশ ইত্যাদি দেখানো হয়, কিন্তু সব তথ্য আপনার জন্য প্রাসঙ্গিক নাও হতে পারে। সেটিংসে গিয়ে ২৭;ফিড কন্টেন্ট২৭; অপশনে ক্লিক করে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সোর্স যেমন Outlook ইভেন্ট বা নির্দিষ্ট নিউজ ক্যাটেগরি চালু রাখুন।
আপনি চাইলে ফিডে সময়ভিত্তিক রিমাইন্ডার বা স্টিকি নোটসও যোগ করতে পারেন, যা আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ মনে রাখতে সাহায্য করবে। অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করে মনোযোগ বজায় রাখুন এবং শুধু প্রয়োজনীয় আপডেট পেতে এই সেকশনটি কাস্টমাইজ করুন।
জেসচার ও শর্টকাট ব্যবহার করে দ্রুত অ্যাক্সেস
মাইক্রোসফট লঞ্চারে কিছু হিডেন জেসচার ও শর্টকাট আছে যা দৈনন্দিন কাজে গতি বাড়ায়। যেমন, হোমস্ক্রিনে দু২৭;আঙ্গুল দিয়ে পিছনের দিকে সোয়াইপ করলে নোটিশ প্যানেল খুলবে, অথবা নিচের দিকে সোয়াইপ করে অ্যাপ ড্রয়ার এক্সেস করতে পারবেন।
আপনার প্রিয় অ্যাপ বা কাজের জন্য কাস্টম জেসচার সেট আপ করতে পারেন সেটিংসের ২৭;জেসচার২৭; বিভাগে—যেমন ডাবল-ট্যাপ করে ক্যামেরা চালু করা। এছাড়া, লং প্রেস করে অ্যাপ আইকনে কিছু শর্টকাট মেনু পাবেন, যেমন কল করার জন্য কন্টাক্টের উপর লং প্রেস করলে দ্রুত কল বা মেসেজের অপশন আসে।
ব্যাকআপ ও সিঙ্ক সুবিধা কাজে লাগান
আপনার লঞ্চার সেটআপ এবং প্রেফারেন্স হারানো এড়াতে নিয়মিত ব্যাকআপ নিন। মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে আপনার হোমস্ক্রিন লেআউট, উইজেট পজিশন, এবং থিম সেটিংস ক্লাউডে সেভ করুন, যাতে ডিভাইস পরিবর্তন বা রিসেটের পরেও আগের সেটিং ফিরে পেতে পারেন।
একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করলে, সিঙ্ক ফিচার চালু রাখুন যাতে সকল ডিভাইসে একই রকম অভিজ্ঞতা পান। উদাহরণস্বরূপ, আপনার ফোন এবং ট্যাবলেট উভয় জায়গায় একই অ্যাপ আকারে সাজানো থাকলে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, এবং সময় নষ্ট হয় না নতুন করে সেটআপ করতে।